Monday, January 23, 2017 2:34 pm
Breaking News
Home / Uncategorized / ১১ দফায় ‘শেখ মুজিব’ লিখতে দেয়নি ছাত্র ইউনিয়ন
১১ দফায় ‘শেখ মুজিব’ লিখতে দেয়নি ছাত্র ইউনিয়ন

১১ দফায় ‘শেখ মুজিব’ লিখতে দেয়নি ছাত্র ইউনিয়ন

‘১৯৬৯ সালের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফায় শেখ মুজিবসহ সব রাজবন্দির মুক্তি চাই’ এ কথায় ‘শেখ মুজিব’ কথাটি ছাত্র ইউনিয়ন মতিয়া গ্রুপ ও ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপ আমাদেরকে লিখতে দেয় নাই।

মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে এক আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ কথা বলেন।

জাতীয় শোক দিবস ও একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপি সংবাদচিত্র কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করে আওয়ামী যুবলীগ।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘১৯৬৯ সালে আমাদের যে ১১ দফা কর্মসূচি ছিল শেখ মুজিবসহ রাজবন্দিদের মুক্তি চাই, কিন্তু আমরা শেখ মুজিব কথাটি রাখতে পারিনি। ছাত্র ইউনিয়ন মতিয়া গ্রুপ, মেনন গ্রুপ আমাদেরকে লিখতে দেয় নাই। তারা বলেছে আমরা মানি না।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই আন্দোলনটি এক দফায় পরিণত হয়েছিল বঙ্গবন্ধু মুক্তি চাই। এখন তারা রামপাল নিয়ে কথা বলে। এ যদি হয় তাদের অবস্থা তাহলে বাংলাদেশের উন্নয়ন হতো না।’

বাম রাজনীতির অদূরদর্শীতা দেখাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘মনিসিংহ ৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে একটি বক্তৃতা দিয়েছিলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার কথা বলেছিলেন। কিন্তু আমরা সমর্থন করতে পারি নাই। আমরা বঙ্গবন্ধুকে চিনতে পারি নাই। কিন্তু বাংলার মানুষ ঠিকই চিনতে পেরেছে।’

তোফায়েল বলেন, ‘গতকাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বাংলাদেশে এসেছিলেন। বেশ কয়েকটি বৈঠক করেছেন। এমন একটি বৈঠকে আমারও থাকার সুযোগ হয়েছে। সেখানে তিনি বলেছেন, ১৯৭১ সালে আপনাদের মুক্তিযুদ্ধে তৎকালীন নিক্সন সরকার বিরোধিতা করছিল সত্যি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ আপনাদের সমর্থন করেছে। আমিও তখন আপনাদের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক ছিলাম।’

খালেদার জন্মদিন পালন প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে নেতা দেশ ও মানুষের কথা বিবেচনা করে জন্মদিন পালন করতেন না, বরং বলতেন, ‘যে দেশের মানুষ অধিকারের কথা বলতে গেলে গুলি খায়, অভাবে না খেয়ে থাকে সে দেশে আমার জন্মদিনেই কী আর মৃত্যুদিনেই বা কী! সে দেশের মানুষ হয়ে সে নেতার মৃত্যুদিনে কীভাবে মিথ্যা জন্মদিন পালন করেন খালেদা জিয়া।’

জঙ্গি প্রতিহত অভিযান প্রসঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘হলি আর্টিজানে হামলার সমালোচনা করে বলেছিলেন এসব সাজানো, পরবর্তীতে কল্যাণপুরে জঙ্গিদের উপরে পুলিশের সফল অভিযানের পর তিনি বললেন, পরিকল্পিতভাবে পেছন দিক দিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। একইভাবে নারায়ণগঞ্জের সফল পুলিশি অভিযানের পর বক্তব্য দিলেন এতেই প্রমাণ হয় তিনি কী চান। জনগণের সঙ্গে তার পার্থক্য কোথায়।’

এ সময় সব ষড়যন্ত্র ও অসঙ্গতিকে মোকাবেলা করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী, সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এইউএ/বিএ