Thursday, January 19, 2017 4:15 am
Breaking News
Home / Uncategorized / ৭২টি স্থানে ১৫ হাজার মানুষকে গণকবর দিয়েছে আইএস: এপি-র জরিপ
৭২টি স্থানে ১৫ হাজার মানুষকে গণকবর দিয়েছে আইএস: এপি-র জরিপ

৭২টি স্থানে ১৫ হাজার মানুষকে গণকবর দিয়েছে আইএস: এপি-র জরিপ

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) এর গণহত্যা এবং গণকবরের ওপর একটি তথ্যভিত্তিক জরিপ পরিচালনা করেছে মার্কিন বার্তা সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। ওই জরিপ অনুসারে, ইরাক ও সিরিয়ায় গণহত্যার পর আইএস যেসব স্থানে গণকবর দিয়েছে, তার মধ্যে অন্তত ৭২টি শনাক্ত করা হয়েছে। আর এসব গণকবরে ঠাঁই হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের।

আইএস-এর হাত থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষ, আইএস-এর প্রপাগান্ডা এবং নিজেদের বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে ইরাকি বাহিনী বিভিন্ন স্থানে খনন করে বেশকিছু গণকবর শনাক্ত করে। একইভাবে সিরিয়াতেও কয়েকটি গণকবর শনাক্ত করে সিরিয়ার সরকারি ও বিদ্রোহীরা বাহিনী। এই অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করেই ওই জরিপ চালিয়েছে এপি। বিভিন্ন স্থানের মাটি খুড়ে অন্তত ৭২ স্থানকে গণকবর বলে শনাক্ত করা হয়েছে জরিপে।

এপি-র জরিপ অনুযায়ী, যেসব গণকবর শনাক্ত হয়েছে, তাতে আইএস-এর গণহত্যার শিকার মানুষের সংখ্যা ১৫ হাজারেরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শনাক্ত হওয়া সবচেয়ে বড় গণকবরটিতে কয়েক হাজার মরদেহ রয়েছে।

আরও একটি গণকবরের সন্ধান

২০১৪ সালে ইয়াজিদি অধ্যুষিত শহর নিনেভেহ দখল করার পর সেখানকার হাজার হাজার ইয়াজিদি ও শিয়াদের হত্যা করেছিল আইএস জঙ্গিরা। অনেক ইয়াজিদিকে দাস হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। শহরটিতে কয়েকটি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে। 

মসুল এবং রাক্কাতেও একইভাবে নিজেদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য গণহত্যা চালানো হয়। ওই দুটি শহরেই গণকবর শনাক্ত করা গেছে।

শুধু সিরিয়াতেই অন্তত ১৭টি গণকবর শনাক্ত করা গেছে বলে গবেষণায় দেখা যায়। সিনজার অঞ্চল দখলের পর সেখানে ইয়াজিদিদের ওপর ব্যাপক গণহত্যা চালিয়েছে আইএস। যার প্রমাণ পাওয়া যায়, শতাধিক ইয়াজিদির মরদেহে ঠাসা ছয়টি গণকবরে।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আইএস

এখনও অনেক অঞ্চলে গণকবরের অস্তিত্ব রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু সেগুলো খুঁড়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।

আইএস-এর গণহত্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে – ইরাকের ক্যাম্প স্পেইসার সেনা স্কুলে গণহত্যা, যেখানে প্রায় দেড় হাজার শিয়া ক্যাডেটকে হত্যা করা হয়েছিল। ২০১৪ সালের আগস্টে সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলে শাইতাত জনগোষ্ঠীর প্রায় ৭০০ জনকে হত্যা করা হয়েছিল।

ইরাকে বাদাউশ কারাগারের বাইরের দিকে একটি গণকবর শনাক্ত করা হয়েছে, সেখানে ৬০০ জনের মরদেহ রয়েছে। ২০১৪ সালে কারাগারটিতে ওই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়।

/এসএ/